রমজানের ফরজ রোজা ছাড়াও অনেকে আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য নফল রোজা রাখেন। তবে মাঝপথে এই রোজা ভেঙে ফেললে বিধান কী?
নফল রোজা
ইসলামি শরিয়তে রোজাদারকে ইফতার করানো অন্যতম ফজিলতপূর্ণ আমল। রমজানে এই আমলটি বেশ গুরুত্বের সাথে পালন করা হলেও নফল রোজাদারকে ইফতার করানোর বিষয়টি অনেকের অগোচরেই থেকে যায়।
শাবান মাস রমজানের মাহাত্ম্য অর্জনের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করার শ্রেষ্ঠ সময়। এ মাসে মুমিন হৃদয়ে বইতে থাকে রমজানের সুবাস। আমরা অনেক সময় রমজানের অপেক্ষায় থাকি, কিন্তু তার আগের এই বরকতময় মাসটিকে অবহেলায় কাটিয়ে দিই। অথচ রসুল (সা.) এই মাসে পুরোদমে রমজানের প্রস্তুতি নিতেন। বেশি বেশি নফল রোজা রাখতেন। আয়েশা (রা.) বলেন, রসুল (সা.)-কে রমজান ব্যতীত অন্য কোনো মাসে শাবানের মতো এত বেশি রোজা রাখতে দেখিনি। সামান্য কয়েকটা দিন ব্যতীত শাবানের প্রায় পুরো মাসই তিনি নফল রোজা রাখতেন (বুখারি, ১৮৬৮)।
নফল রোজা আল্লাহর নৈকট্য লাভের একটি বড় মাধ্যম। এর ফজিলত সম্পর্কে অনেক হাদিস বর্ণিত হয়েছে। রোজাকে গোনাহের কাফফারা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রমজানপূর্ব মাস শাবানে অন্যান্য মাসের তুলনায় বেশি নফল রোজা রাখতেন। হাদিসে শাবান মাসে রোজা রাখার বিশেষ ফজিলত বর্ণিত হয়েছে।
আমরা প্রতিদিন নামাজের আগে ও পরে কিছু সুন্নত নামাজ আদায় করে থাকি।
ইসলামে বিশেষ ফজিলত ও মর্যাদাপূর্ণ একটি মাস হলো শাবান। এটি চান্দ্রবর্ষের অষ্টম মাস। এটি নফল রোজার মাস।
হিজরি বা চান্দ্র মাসের অষ্টম মাস শাবান। শাবান আরবি শব্দ, অর্থ শাখা প্রশাখা। আর শাবান মাস এলেই চার দিকে ইবাদতের সুবাতাস বইতে শুরু করে। মুমিন হৃদয় জেগে ওঠে। নিজেকে প্রভুপ্রেমে বিলিয়ে দেন বিনীদ্র রজনীতে।
রমজানের আগের মাস শাবান। রমজানে মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা করা ফরজ। এর বাইরে সপ্তাহে, মাসে এবং বছরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিনে নফল রোজা রাখার কথা হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু সর্বাধিক নফল রোজা শাবান মাসে।